সোমবার, ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
আজ সোমবার | ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

লোহাগাড়ায় চাঁদাবাজী করতে গিয়ে ভুঁয়া সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০ | ১২:২০ পূর্বাহ্ণ | 1732Views

লোহাগাড়ায় চাঁদাবাজী করতে গিয়ে ভুঁয়া সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

৫ ঘন্টা হাজতবাসের পর মুচলেকায় মুক্ত: লোহাগাড়ায় চাঁদাবাজী করতে গিয়ে ভুঁয়া সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

নিজস্বব প্রতিবেদক, লোহাগাড়া:

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মো: সেলিম উদ্দিন (৪৫) ওরফে বাটোয়ার সেলিম নামের এক টাউট সাংবাদিক পরিচয়ে থ্রী স্টার অটো পার্টস নামের একটি দোকানে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করতে গিয়ে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

২ জুৃলাই (বৃহস্পতিবার ) বিকেল ৫টায় উপজেলার আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

সে উপজেলার আমিরাবাদ মল্লিক ছোবহান বেপারী পাড়ার মৃত আলী আহমদের পুত্র। সে নিজেকে বাংলা টাইমস নামের একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেশ দাপটের সাথে চলাফেরা করতো।

এদিকে, আটকের ৫ ঘন্টা হাজতবাসের পর একইদিন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে স্থানীয় আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম ইউনুছের জিম্মায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী থ্রী স্টার অটো পার্টসের মালিক মো : জিয়া উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় আমার মালিকানাধীন থ্রী স্টার অটো পার্টস দোকান থেকে কোন কারণ ছাড়াই ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আমার সাথে তর্কাতর্কি শুরু করেন। তার অযাচিত এমন আচরণে এসময় আমার দোকানের সামনে আশ-পাশের ব্যবসায়ীসহ অনেক লোক জড়ো হলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা তাকে গনণধোলাই দেয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন। এরপর ৫ ঘন্টা হাজতবাসের পর একইদিন রাত ১১ টার দিকে স্থানীয় আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম ইউনুসের জিম্মায় তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেয়া হয়।

আমিরাবাদ ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস.এম ইউনুছ বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। খবর পেয়ে উভয়জনের সাথে কথা বলে মীমাংসা করে দিয়েছি এবং জিম্মায় থানা থেকে ছেড়ে নিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, জিয়া উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীর মৌখিকভাবে চাঁদা দাবীর অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে সেলিম নামের এক কথিত সাংবাদিককে থানায় নিয়ে আসি। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থাতা ও জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

-Advertisement-
Recent  
Popular  

Our Facebook Page

-Advertisement-
-Advertisement-