• মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
Headline
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রতিভা অন্বেষণ করছে কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমী জাহাজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যু, তোফায়েল আহমেদের শোক টেকনাফে মাদক কারবারি ভুট্টুর পা কেটে হত্যা কুতুবদিয়া বড়ঘোপ ৪নং ওয়ার্ড আ. লীগের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি কামাল, সম্পাদক আব্দুস সাত্তার লোহাগাড়ায় বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে হেফজ বিভাগের ছাত্রের মৃত্যু ভারী যানবাহন চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ বদরমোকাম! কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে নিখোঁজ লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ মহেশখালীতে উদ্ধার লোহাগাড়ায় পুলিশের হাতের কব্জি কেটে নিল আসামী! রামুতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীর মৃত্যু কুতুবদিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার

সরকারী প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম কারাগারে

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২

ফটিকছড়ি সংবাদদাতা:

সরকারী কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়েরকৃত মামলায় ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জানে আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

১২ এপ্রিল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজ আহমেদ ভুঁইয়া শুনানী শেষে এ আদেশ দেন।

মামলার শুনানীতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন দুদকের পিপি এড. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। চেয়ারম্যান জানে আলম ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক।

তিনি গেল বছরের ১১নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে তৃৃতীয়বারের মত দাঁতমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এ মামলাটি দায়ের করেন কার্যালয়টির সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম।

মামলার আসামিরা হলেন, দাঁতমারা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জানে আলম, ফটিকছড়ির কৃষি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আজিজুল হক, একই ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সুজিত কুমার নাথ, ক্যাশিয়ার আবুল কাশেম ও তৎকালীন ট্যাগ অফিসার (উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী) প্রণবেশ মহাজন। মামলা দায়েরের পর চেয়ারম্যান জানে আলম হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলেন। হাইকোর্টের দেয়া আগাম জামিনের সময়সীমা শেষ হওয়ায় আজ মঙ্গলবার চেয়ারম্যান জানে আলম জজকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের ১ম ও ২য় পর্যায়ের মোট ৮০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের দৈনিক ২০০ টাকা মজুরি হারে ৪১ জন শ্রমিকের ৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকল্পে ভুয়া শ্রমিক দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। তারা কেউই শ্রমিক নয় এবং সকলেই স্বাবলম্বী। তাদের মধ্যে স্কুল প্রধান শিক্ষক, পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ, প্রবাসী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ছিল। তারা কখনো কৃষি ব্যাংকে যান নাই কিংবা হিসাব খোলেননি এবং টাকাও উত্তোলন করেননি।

এরপর ২০২০ সালে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন তদন্ত করে ৪১ জন শ্রমিকের অর্থ আত্মসাতের দালিলিক প্রমাণ পাওয়ায় চেয়ারম্যানসহ বাকিদের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে দুদক কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category