• রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
দক্ষিণ মিঠাছড়ি আওয়ামী লীগের কমিটিতে বিএনপি-জামায়াত ও চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা’ ইয়েস-কক্সবাজারের কার্যকরি পরিষদ পুনর্গঠন ভূমিদস্যুদের মিথ্যাচার ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় পুলিশের উপর হামলার মূলহোতা কবির ও তার সহযোগী র‍্যাবের হাতে আটক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রতিভা অন্বেষণ করছে কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমী জাহাজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যু, তোফায়েল আহমেদের শোক টেকনাফে মাদক কারবারি ভুট্টুর পা কেটে হত্যা কুতুবদিয়া বড়ঘোপ ৪নং ওয়ার্ড আ. লীগের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি কামাল, সম্পাদক আব্দুস সাত্তার লোহাগাড়ায় বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে হেফজ বিভাগের ছাত্রের মৃত্যু

‘সিনহা হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে সাক্ষী সিফাতকে আমানবিক নির্যাতন করে পুলিশ’

ইমাম খাইর, কক্সবাজার অফিস / ১৪৬ Time View
Update : বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

রায়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ

ইমাম খাইর, কক্সবাজার
অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আড়াল ও ধামাচাপা দিতে সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম ওরফে সিফাতকে শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টের ভেতরে ঢুকিয়ে দু’চোখ বেঁধে, নাকে-মুখে পানি ঢেলে আমানবিকভাবে শারীরিক নির্যাতন করে।

অতঃপর টেকনাফ থানায় নিয়ে সিনহার গাড়ী থেকে মাদক উদ্ধারের সাজানো ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) আলোচিত সিনহা হত্যা মামলার রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত আরো বলেছে, প্রদীপ কুমার দাশসহ ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ও যোগসাজসে নন্দ দুলাল রক্ষিত টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান ও তার সহকর্মীদের চরিত্র হননের অপচেষ্টায় বিভিন্ন কূট কৌশলের আশ্রয় নেন।

ঘটনা/হত্যাকাণ্ড:
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়ার শামলাপুরে এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

মামলা:
সিনহা হত্যার ঘটনায় ৫ আগষ্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-৩ এ ৯ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি দরখাস্ত দেন বড় বোন শাহরিয়া ফেরদৌস। সেটি টেকনাফ থানার নিয়মিত মামলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যার নং-সি.আর-৯৮/২০২০, এস.টি-৪৯৩/২০২১। মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় র‌্যাব।

মামলার রায়:
অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বরখাস্ত পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড, সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও মো. আইয়াজ প্রকাশ আয়াছকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সাজা হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসআই মো. শাহজাহান আলী, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, কনস্টেবল মো. রাজীব, এ.এস.আই মো. লিটন মিয়া, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, কামাল হোসাইন, কনস্টেবল ছাফানুল করিমকে খালাস দেয় আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category