• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
Headline
অসুস্থ সাংবাদিক সায়েদ জালালের বসতবাড়িতে ভাংচুর, আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি হাই কমিশনার ফিলিপ গ্র্যান্ডির জন্য আমাদের বার্তা দক্ষিণ মিঠাছড়ি আওয়ামী লীগের কমিটিতে বিএনপি-জামায়াত ও চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘হাতের মুঠোয় ভূমি সেবা’ ইয়েস-কক্সবাজারের কার্যকরি পরিষদ পুনর্গঠন ভূমিদস্যুদের মিথ্যাচার ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লোহাগাড়ায় পুলিশের উপর হামলার মূলহোতা কবির ও তার সহযোগী র‍্যাবের হাতে আটক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিত্তিক প্রতিভা অন্বেষণ করছে কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমী জাহাজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যু, তোফায়েল আহমেদের শোক টেকনাফে মাদক কারবারি ভুট্টুর পা কেটে হত্যা

সংবাদ সম্মেলনই কাল হল সাংবাদিক ইমাম খাইরের!

Reporter Name / ৪৩৬ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রতিহিংসায় শিকার হয়ে কক্সবাজার জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি হত্যা মামলায় সন্দেহজনক ভাবে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করছেন কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক ইমাম খাইর।

তিনি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকার কক্সবাজারের নিজস্ব প্রতিবেক ও কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন।

কাল হল একটি সংবাদ সম্মেলন। গত ৫ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হন মেম্বার প্রার্থী কুদরত ও তার ভাই জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার। ৭ নভেম্বর বেলা ১টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় জহিরুল ইসলাম সিকদার।

সাংবাদিক ইমাম খাইরের স্ত্রী জানান, ৫ নভেম্বর গোলাগুলির ঘটনার পরদিনই অপরপক্ষ মেম্বার প্রার্থী লিয়াকতের মোবাইল থেকে তার ভাই ও স্ত্রী নিজেদের নির্দোষ দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চেয়েছিলেন। একজন আইনজীবির মধ্যস্থতায় ৭ নভেম্বর সকালে সাংবাদিক ইমাম খাইর, দৈনিক কক্সবাজারে সাংবাদিক মাহবুব, টিটিএন এর বার্তা সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম লিপু, সিবিএনএর সাহেদ মিজানসহ কয়েকজন সাংবাদিক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

ওই সংবাদ সম্মেলন উপলক্ষ ও নিউজের তথ্যের জন্য গত ৬-৭ নভেম্বর সকাল থেকে লিয়াকতের স্ত্রী ও তার ভাইয়ের সাথে লিয়াকতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কথা বলেন সাংবাদিক ইমাম খাইর। এটিই তার অপরাধ। একজন পেশার সাংবাদিক সঠিক সংবাদ উপস্থাপনার স্বার্থে ও দেশের স্বার্থে সবার সাথে কথা বলতে পারে। সংবাদ সম্মেলনের পরে ওইদিন দুপুর ১টায় জহিরুল ইসলাম সিকদার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ওইদিন রাতেই থানায় ১৯জনকে বিবাদী করে গুলিবৃদ্ধ কুদরত বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই হত্যা মামলার সংবাদে পুলিশের বক্তব্যও নেন ইমাম খাইর।

পরিবারের আরো দাবী, সাংবাদিক ইমাম খাইর ৬ ও ৭ নভেম্বর যে কথা বলেছে, ওই কথার কথোপকতন সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যদি সংবাদ সংক্রান্ত ছাড়া কোন কথা বার্তার প্রমাণ থাকে, বিচার মেনে নিবে। এখানে প্রতিহিংসা ছাড়া কিছুই নয়। ইমাম খাইর সাংবাদিকতায় আসার পর কক্সবাজারে সবার নজর কেড়েছে। তার ফলে প্রতিহিংসায় হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামী হয়ে কারাভোগ করতে হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিচার আমরাও চাই।

স্থানীয়রা জানান, একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে গত ১০ নভেম্বর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ডাকার সাথে সাথে সহকর্মীদের নিয়ে তাদের কার্যালয়ে গেলে সেখানেই আটক করা হয়। পরদিন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ১২ নভেম্বর থেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সচেতন মহল দাবী করছেন, দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে তৃতীয় কোন পক্ষ জড়িত কিনা তদন্ত পূর্বক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতের আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানান।

এদিকে, সাংবাদিক ইমাম খাইরকে পেশাদার দায়িত্বে পালনে কথোপকতনের রেকর্ড লিস্টকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার করায় সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category